প্রকাশঃ Sun, Feb 28, 2021 7:14 PM
আপডেটঃ Wed, Apr 14, 2021 11:19 AM


শহিদুল আলম পাটোয়ারী গণ পাঠাগার'র শুভ উদ্বোধন

শহিদুল আলম পাটোয়ারী গণ পাঠাগার'র শুভ উদ্বোধন

মোহাম্মদ জানে আলমঃ কুমিল্লা নাঙ্গলকোট গন্ডাপুরে 'শহিদুল আলম পাটোয়ারী গণ পাঠাগার'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন "কথা সাহিত্যিক ও নাট্যকার" এমদাদুল হক মিলন। 





বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লামিয়া সাইফুল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দিন, নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী

ডাঃ মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া রাফী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, লিটন চক্রবর্তী মিঠুন-  লেকচারার, ইংলিশ ডিপার্টম্যান্ট সেন্ট্রাল ইউমিন ইউনিভার্সিটি ঢাকা, ডাঃ মাহফুজা আক্তার নিশাত- পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতাল, মাননীয় অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সিংহ রতন, উপজেলা ছাত্রলীগ আব্দুর রাজ্জাক সুমন। 


সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন- বর্তমানে স্যোসাল মিডিয়ার যুগে বই পড়ার গুরুত্ব একেবারেই হারিয়ে যেতে বসেছে। 

এরপরেও বই পড়ার যে অভ্যাস, তা যুগযুগান্তর থেকেই যাবে। কেননা, তা আমাদের ছাত্র জীবন থেকেই আলিঙ্গন করেছে। 


ছাত্রজীবনে পাঠাগার অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাঠাগার হলো পাঠ করার সামগ্রী সজ্জিত আগার বা স্থান। পাঠাগারে সেই বিষয় সংক্রান্ত অন্যান্য বই পড়লে বিষয়টি সহজবোধ্য হয়ে ওঠে। গ্রন্থাগারের ইতিহাস বেশ পুরনো। 



প্রথম দিকে মানুষ নিজের ঘরের কোনে, মসজিদ, মন্দির, উপাসনালয়ে এবং রাজকীয় ভবনে গ্রন্থ সংরক্ষণ করতে শুরু করে। সর্বো সাধারণের মধ্যে জ্ঞান বিস্তারের জন্য খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে গ্রন্থাগার স্থাপিত হয়। 

শিক্ষার্থী পাঠাগারে প্রবেশ করলে তার সামনে খুলে যায় ভাবনার অপার দুয়ার। 


পাঠাগারের একেকটি বই তাকে একেক বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেয়। এতে তার জন্য পরিধি বিস্তৃত হয়, যা তাকে একজন ভালো শিক্ষার্থী হতে সাহায্য করে। 


বই পড়ার মাধ্যমে শিল্প, সংস্কৃতি, ইতিহাস, বিজ্ঞান, সাহিত্যের নানা ক্ষেত্রে সে বিচরণ করতে পারে, যা তার পরবর্তী জীবনযাত্রাকে সহজ ও পরিশীলিত করে।  জনবহুলের তারতম্যে গ্রামের তুলনায় শহরে লাইব্রেরির গুরুত্ব পরিলক্ষিত একটু বেশিই। তাই বলে- জ্ঞান অর্জনের প্রেক্ষাপট উভয় স্থানেই তুলনাহীন। 

তাই শহরের পাশাপাশি প্রতিটি গ্রামে-মহল্লায় পাঠাগার গড়ে তোলা প্রয়োজন। 



এই তুলনাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে এখানে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, আমি সত্যিই আপ্লূত। আমি চাই এই জ্ঞানের ভান্ডার এই এলাকাসহ সারাদেশকে আলোকিত করবে। এমন মহতি উদ্যোগ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক। আমি এই পাঠাগার এর উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।  



বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন- এলাকার রাজনৈতিক, সামাজিকসহ সবোস্তরের গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ।



www.a2sys.co

আরো পড়ুন