শিরোনাম

প্রকাশঃ Tue, Nov 21, 2023 6:22 PM
আপডেটঃ Thu, Feb 22, 2024 4:17 PM


শিবির সন্দেহে দু'শিক্ষার্থীকে চার ঘণ্টা নির্যাতন করে পুলিশে দিল ছাত্রলীগ

শিবির সন্দেহে দু'শিক্ষার্থীকে চার ঘণ্টা নির্যাতন করে পুলিশে দিল ছাত্রলীগ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে অডিটরিয়ামের ঠিকাদার কতৃক অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত সহকারী আহত হয়েছেন। শিবির সন্দেহে চার ঘণ্টা নির্যাতনের পর দু'ছাত্রকে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রলীগ। সোমবার (২০ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কলেজ অডিটোরিয়ামের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কর্মবিরতির হুমকি দিয়েছে কলেজের কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন হামলাকারীরা বহিরাগত।  কলেজ অডিটরিয়ামে ঠিকাদারি করে, তারা প্রধান সহকারির নিকট ক্ষমা চেয়েছে। 



সূত্রমতে, সকাল ১০টায় কলেজ ফি জমা দিতে আসেন ডিগ্রির শিক্ষার্থী খোরশেদ আলম। তার সাথে ছিলো একজন। শিবির সন্দেহে তাদের কলেজ কেন্দ্রীয় পাঠাগারের নিচতলায় একটি সংগঠনের কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়। এরপর তাদের কলেজ অডিটরিয়ামে নিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে। বেলা সাড়ে তিনটার পর পুলিশ এসে তাদের উদ্বার করে। 



ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রধান সহকারী মাজহারুল ইসলাম জানান, আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) কলেজের প্রাণিবিদ্যা সমিতি অনুষ্ঠান অডিটরিয়ামে হবে। এ সময় কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা জোবায়ের ও আবদুর রহমান বাবুর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কর্মীরা দু'জন ছাত্রকে শিবির সন্দেহে  বেধড়ক মারধর করার দৃশ্য দেখতে পাই। আমি তাদের কলেজ প্রাঙ্গণে মারপিট না করার অনুরোধ জানাই। এ সময় ছাত্রলীগের বাবু আমার ওপর চড়াও হন। সাথেসাথে  কিল-ঘুষি মেরে আহত করেন । এছাড়া ওই দুই ছাত্রকেও প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করে ছাত্রলীগ। কলেজ প্রাঙ্গণে খুনোখুনি হলে আমাদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, ওই চিন্তা থেকেই তাদেরকে মারপিট করতে বারণ করি।


 কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী সায়েম বলেন, 

এ বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই। কারণ আমার ছাত্রলীগ করার বয়স শেষ। 


কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ সনজুর মোরশেদ বলেন, ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠানো হয়েছে। আমি পরে গিয়েছি।  বড় কোন সমস্যা হয়নি। এ বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত লিখিত কোন অভিযোগ হয়নি। 


কলেজ অধ্যক্ষ ড. আবু জাফর খান বলেন,  হামলাকারীরা বহিরাগত। তারা কলেজ অডিটরিয়ামের  সংষ্কার কাজের জন্য কলেজে প্রবেশ কর এ ঘটনা ঘটায়। আমরা বিষয়টি পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছি। আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। হামলাকারীরা প্রধান সহকারীর নিকট ক্ষমা চেয়েছে। নির্যাতিত দুই ছাত্র এখন পুলিশ হেফাজতে আছে। আমরা ধর্মপুর এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে অবহিত করেছি।



www.a2sys.co

আরো পড়ুন