
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেন মেয়ে নুজাহাত নাবিলাকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২১ আগস্ট ২০২১নিজ এলাকায় সন্ধ্যা এ ঘটনা ঘটে বলে এলাকাবাসী জানায়।
জানা যায়, সদর দক্ষিণের একই এলাকার (খিলপাড়া) সৈয়দ মিয়ার ছেলে সন্ত্রাশী শামীম দীর্ঘদিন ধরে মৃত দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে নুজহাত নাবিলাকে উত্যক্ত করে আসছে। ভালো লাগার দিক থেকে শামীম বিভিন্নভাবে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এবং কলেজে আসার যাওয়ার সময় বিভিন্ন ভাবে ইভটিজিং করে আসছে,এবং পরবর্তীতে সে জোরজবরদস্তি তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। একপর্যায় সে পারিবারিকভাবে বিয়ের চেষ্টা চালালেও পরিবার অস্বীকৃতি জানান। কারণ, শামীমের কর্মকান্ডে পরিবার খারাপ দৃষ্টিতে দেখে। যার ফলে সে আরও ক্ষীপ্ত হয়ে একটি মাইক্রোবাসে ৬/৭ জন লোক নিয়ে নাবিলা কলেজ বাড়িতে ফিরার সময় তাকে জোর করে গাড়িতে উঠানোর চেষ্টা করে এবং তাকে বিভিন্ন ভাবে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে এক পর্যায়ে তার চিৎকার চেচামেচিতে আশেপাশের মানুষ বাহির হয়ে আসে। এতে পুরো এলাকায় মানুষের উপস্থিতি দেখে তারা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। যাওয়ার পূর্বে ভুক্তভোগীকে সে জোর করে হলেও বিয়ে অথবা উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষনের করবে বলে হুমকি দেয়। তা না পারলে নাবিলার পরিবারের সদস্যদের দেখে নিবে বলেও হুমকি প্রদান করে।
প্রতিবেশী আলাউদ্দীন মিয়া বলেন পাড়ার বখাটে ছেলে সন্ত্রাসী শামীম কলেজ থেকে আসার পথে বাড়ির সামনে রাস্তায় নাবিলাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে এবং সন্ত্রাসী শামীম পূর্বে এলাকার আর অনেক মেয়েকে ইভটিজিং করে আসছেএতে আমরা সবাই আতঙ্কিত ।উল্লেখ সন্ত্রাসী শামীমের নামে পূর্বে ১টি নারী নির্যাতন মামলা ২টি ডাকাতি মামলা ও১ টি মার্ডার মামলা ও আাছে ।এবং এ বিষয়ে এলাকার সর্দার ফরহাদ হোসেন কে জিজ্ঞেস করলে উনি বলেন মেয়েটির বাবা নাই। ভাই একজন খেতে খামারে কাজ করে। প্রভাবশালী না হওয়ায় তাদেরকে জোরজবরদস্তি করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সে তো নিজ বাড়িতেই সেপ না, অন্য এলাকায় কিভাবে থাকবে যেখানে তার পরিচিত কেউই থাকবে না। এখন তাঁর পরিবারে দুশ্চিন্তার বাজ। এতে আমরাও আমাদের মেয়েদের নিয়ে আতঙ্কে আছি।
এলাকার সর্দার আর জানায়, বিষয়টি খুবই উদ্ধেগের। আমার এলাকায় এমন অস্বাভাবিক ঘটনার জন্য আমরা লজ্জিত। ছেলেটি আগে থেকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। এমনিতেই সে মাদকাসক্ত। তার বাবা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে কেউ ই মুখ খুলতে চায় না মধ্যে আবার বাবা মায়ের আশকারায় ছেলেটি এমন অপরাধ মূলক কাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে বসে আমি কথা বলার চেষ্টা করবো।
সদর দক্ষিণ থানায় কল দিলে ওসি সাহেব বলেন, আমরা এ ব্যাপারে আমরা কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব । ভুক্তভোগী চাইলে মামলা নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।