কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির দুই সদস্যকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় এক নারী আসামিকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬) আদালতের বিচারক খাইরুন নেছা এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নওগাঁর মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং গাজীপুরের শ্রীপুরের চকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। অপর আসামি দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানীকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৪/৬ ধারায় মামলাটি করা হয়। মামলার নম্বর ২১, জিআর মামলা-১০৬/০৬ এবং এসটি মামলা-১৩৭/০৬।
মামলার বিচারকাজে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের জবানবন্দি, আসামিদের বক্তব্য, জব্দ তালিকা এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের বিষয় পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায় ঘোষণার সময় মোস্তাফিজুর রহমান ও দুরুল হুদাকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে, খালেদা আক্তার রানীর তিন সন্তান থাকা, তাঁর স্বামী কারাগারে থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাঁকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানামূলে দণ্ডপ্রাপ্তদের পুলিশ পাহারায় প্রিজন ভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।