মাজারে হামলা বন্ধ ও ৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লা টাউন হল চত্ত্বরে সকাল ১০ টায় তরিকত-এ ইসলামের প্রতিষ্ঠতা চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মঈনউদ্দীন হিয়াজুড়ির সঞ্চালনায় ও ইঞ্জিনিয়ার কাজী ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এতে সংহতি প্রকাশ করেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ মজুমদার, ছায়দুল হিয়াজুড়ী, রাসেল দেওয়ান, মিনু হিয়াজুড়ি প্রমুখ। এসময় বক্তারা বলেন, নির্মমভাবে বাংলাদেশে প্রতিদিনই মাজারে হামলা হচ্ছে। মা-বোন-কন্যারা ধর্ষিত হচ্ছে শুধুমাত্র বিচার না হওয়ায়। যদি ধর্ষকদের বিচার দ্রুত হতো, তাহলে আর এভাবে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মা-বোন-কন্যারা ধর্ষিত হতো না। গত ১৩ বছর ধরে নতুনধারা ৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন করছে নতুনধারা; কিন্তু আগের সরকার, পরের সরকার বা বর্তমান সরকারও আইন করে ধর্ষকের ফাঁসির কার্যকরের জন্য কোনো আইনী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কারণ দিন শেষে সরকার আসে, সরকার যায়, কিন্তু তারা ধর্ষকদেরকে বিচারের আওতায় না এনে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়। যুদ্ধাপরাধী- দেশ বিরোধী জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নেতারা ধর্ষকদেরকে উসকানী দিচ্ছে। তার প্রমাণ এনসিপির নেতারা দলীয় নেত্রীদেরকে ধর্ষণ করতে চাইছে, জামায়াতের আমীর সমকামীদের মত যেখানে সেখানে চুমা দিয়ে বেড়াচ্ছে।
এসময় তরিকত-এ ইসলামের সভাপতি টিপু বলেন, আপনার বাবা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অপমান করে ‘মুক্তিযোদ্ধারা গাদ্দার’ বলেও সংসদে থাকে কি করে? তাহলে কি ধরে নেবো আপনি নিজেও যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে? যারা জ¦ালানি তেল মজুত করে মববাজী করে সারাদেশে সংকট তৈরি করছে, আপনি তাদের পৃষ্ঠপোষক। যদি তাই না হয়, তাহলে আগামী ১ সপ্তাহর মধ্যে ৭৪ জন এমপির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহ মামলা করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগ করে ব্যবস্থা নিন-প্রমাণ করুন আপনার রক্তে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত প্রবাহিত, আপনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ। দেশের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকারীদেরকে সাথে নিয়ে দেশের অর্থনীতি, ধর্ম-মানবতা, শিক্ষা-সমাজ-সভ্যতাকে ধ্বংসকারী ইউনূস এবং তার সরকারের সকল উপদেষ্টা আইনের আওতায় আনা সময়ের দাবি। এই দাবি বিএনপি সরকার আমলে না নিলে, এদের বিচার না করলে জনগণ ক্ষমা করবে না। এসময় তিনি আরো বলেন, মামুনুলদের মত মানুষেরা এখন বলে- তাদেরকে ক্ষমতা দিলে তারা হরমুজ প্রণালি থেকে বাংলাদেশের তেলের জাহাজ উদ্ধার করে নিয়ে আসবে, তাহলে ক্ষমতা না পেয়েই কি তারা হরমুজে জাহাজ আটকে রাখার জন্য ইরানকে পরামর্শ দিয়েছে?