দিগন্ত জোড়া শাপলার হাট
ঝিলের মাঠে বিস্তৃত অবনিপৃষ্ঠে
জ্বাজল্যমান রাশিরাশি তারকার হাসি,
এই যে, দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে ফোটা
শাপলা শালুক; চাষাবাদ করেছেন কোন চাষি?
কোন শিল্পী এমন সুনিপূণ হাতে রাঙিয়েছেন,
রং তুলি দিয়ে সাজিয়েছেন এমন সাজ?
এতশত টন বীজ কোন গোলায় জমিয়েছেন, কে;
এসব সংরক্ষন করাই বা কার কাজ?
বর্ষা শেষে খুজে পাওয়া যায় না একমুটো বীজ
চাইলেও হাজার সন্ধান করে,
কৌশলে কে আগলে রেখেছেন অতি যত্নে
বছরের পর বছর মৃত্তিকার গহ্বরে?
বর্ষার জলে শিকড় গজায় ভুপৃষ্ঠ বেধ করে;
শেখর পানিতে সাতরে বেড়ায় কিছুকাল,
বাদলার সমীরনে দোল খায় কোমল অঙ্গ,
পায় কাঙ্খিত সুখের ছোয়া; সাজানো পত্রপল্লব ডাল।
আকাশের দিকে তাকিয়ে হেসে উঠে পরম সুখে,
দলবেধে দোল খায় ঢেউয়ে পরস্পরের গায়ে গায়ে।
আধার রাতের তারার সাথে করে মিতালী
এক সাথে সুর তোলে পাল্লা দিয়ে।
কবি- মো.সুমন মিয়া