বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এ সরকার সবক্ষেত্রে ব্যর্থ, যে কারণে সমাবেশ করতে বাধা দিচ্ছে। সমাবেশে শুধু বিএনপি কর্মীরাই নয়, সাধারন মানুষও অংশ নিচ্ছে। এ সরকারকে আর সাধারণ মানুষ ক্ষমতায় দেখতে চাচ্ছেনা।
আগামি ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বিএনপির কুমিল্লার বিভাগীয় সমাবেশের প্রস্তুতিমূলক সভায় গতকাল সোমবার দুপুরে কুমিল্লার একটি হোটেলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
কুমিল্লা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বরকত উল্লাহ ভুলু, কুমিল্লার বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি, কর্ণেল আনোয়ারুল আজিম, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূইয়াসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য আগামি ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য মহাসমাবেশে কুমিল্লা উত্তর, দক্ষিন, মহানগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা অংশ নেবেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরো বলেছেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশকে বানচাল করার জন্য শ্রমিকদের দিয়ে পরিবহন ধর্মঘটে বাধ্য করছে। সরকার দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে পারছে না। কারণ সরকারের হাতে এর লাগাম নেই। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করছে সরকারের বিশেষ একটি সিন্ডিকেট। এই সরকার ব্যর্থ সরকার। এই সরকারের তথাকথিত প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, লোডশেডিং বলতে কোনো শব্দ থাকবে না বাংলাদেশে। অথচ আজ বাংলাদেশের চিত্র দেখেন, লোডশেডিংয়ের কারণে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ইতিহাসে কোনো স্বৈরশাসকই এমনি এমনি ক্ষমতা ছাড়েনি। আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসকদের নামানো হয়েছে।
দেশে আইনের শাসন নেই উল্লেখ করে ড. মোশাররফ বলেন, যারা নেতাকর্মীদের গুম-খুন করেছে, তারা আইনের শাসন ফিরিয়ে দিতে পারবে না। যারা দুর্নীতি করে, লুটপাট করে, তারা অর্থনীতিকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না। যারা গণতন্ত্র হত্যা করেছে, তারা কখনো গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে পারবে না। সেজন্য দেশের মানুষ জাগ্রত হয়েছে।আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে হটাতে চাইছে। কিন্তু এই সরকার মানুষের সেই আন্দোলনকেও নস্যাৎ করার চেষ্টায় রয়েছে।